মহেশ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১। শরৎচন্দ্র কোন তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর : ১৯৩৮ সালের ১৬ জানুয়ারি।
২। ‘তর্করত্ন দেখাইয়া কহিলেন, ওটা হচ্ছে কি শুনি?’_ এখানে ‘ওটা’ কী?
উত্তর : বাবলাগাছের ডালে বাঁধা একটি ষাঁড়। (মহেশ)
৩। গফুর এবার কতগুলো খড় ভাগে পেয়েছিল?
উত্তর : কাহন-খানেক।
৪। ‘আমাকে পণদশেক বিচুলিই না হয় দাও।’_ গফুর এ কথা কাকে বলেছিল?
উত্তর : কর্তামশায়কে।
৫। গফুর তর্করত্নের কাছে কতগুলো খড় ধার চেয়েছিল?
উত্তর : কাহন দুই।
৬। ‘শুধু চেয়ে থাকে, আর চোখ দিয়ে জল পড়ে’_ কার?
উত্তর : মহেশের।
৭। মহেশ কেন শিং নেড়ে তর্করত্নের দিকে আসছিল?
উত্তর : ফলমূল আর ভেজা চালের গন্ধ পেয়ে।
৮। ‘যে শিং কোন দিন দেখছি কাকে খুন করবে’_ এ কথা বলে তর্করত্ন কী করলেন?
উত্তর : পাশ কাটিয়ে হন হন করে চলে গেলেন।
৯। কিন্তু তুই তো জানিস, তোকে আমি কত ভালোবাসি’_ কাকে?
উত্তর : মহেশকে।
১০। মহেশ প্রত্যুত্তরে শুধু গলা বাড়িয়ে আরামে কী করল?
উত্তর : চোখ বুঁজে রইল।
১১। ‘আমি যে ভেতর থেকে শুনতে পেলাম বাবা’_ আমিনা কী শুনতে পেল?
উত্তর : চাল থেকে খড় টানার শব্দ।
১২। আমিনা কিসের থালায় তার পিতার শাকান্ন সাজিয়ে দিয়েছিল?
উত্তর : পিতলের থালায়।
১৩। আমিনা তার নিজের জন্য কিসে ভাত বেড়ে নিয়েছিল?
উত্তর : মাটির সানকিতে।
১৪। ‘শুনেছ বাবা, মানিক ঘোষেরা আমাদের মহেশকে থানায় দিয়েছে’_ আমিনা কখন গফুরকে এ কথা বলেছিল?
উত্তর : পড়ন্ত বেলায়।
১৫। মহেশকে মানিক ঘোষেরা কেন থানায় দিয়েছিল?
উত্তর : তাদের বাগানে ঢুকে গাছপালা নষ্ট করেছিল বলে।
১৬। গফুর কার কাছে তার পিতলের থালাটি বন্ধক রেখেছিল?
উত্তর : বংশীর কাছে।
১৭। কত টাকার বিনিময়ে সে পিতলের থালাখানা বন্ধক রাখে?
উত্তর : এক টাকার বিনিময়ে।
১৮। ‘মহেশ’ গল্পটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
উত্তর : হরিলক্ষ্মী।
১৯। ‘অন্তরীক্ষ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : আকাশ।
২০। ‘সেখানে ধর্ম থাকে না, এ কথা সে বহুবার শুনিয়াছে’_ কে শুনেছে?
উত্তর : আমিনা।
২১। ‘আমিনা, চল আমরা যাই’_ গফুর এ কথা আমিনাকে কখন বলেছিল?
উত্তর : অনেক রাতে।
২২। বছর দুয়ের মধ্যে পিতলের থালাটি বন্ধক রেখে বংশী কতবার গফুরকে একটি করে টাকা দিয়েছে?
উত্তর : পাঁচবার।
২৩। কে গো শব্দের শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা করলেন?
উত্তর : তর্করত্ন।
২৪। মহেশকে কেনার জন্য কসাই গফুরকে কত টাকা বায়না দিয়েছিল?
উত্তর : দুই টাকা।
২৫। কসাইরা প্রথমে মহেশকে কত টাকায় কিনতে চেয়েছিল?
উত্তর : বারো টাকায়।
২৬। বারো টাকায়ও গফুর মহেশকে বিক্রি করতে না চাইলে বুড়ো ক্রেতা গফুরের মেয়ের হাতে পান খাওয়ার জন্য আর কত টাকা দিতে চেয়েছিল?
উত্তর : দুই টাকা।
২৭। জমিদারের সদর থেকে সব অপমান ও তিরস্কার সবিনয়ে মাথা পেতে নিয়ে গফুর কী রূপ চিত্তে ঘরে ফিরে এলো?
উত্তর : প্রসন্ন চিত্তে।
২৮। নিজের অপরাধ স্বীকার করে কাঁদ কাঁদ হয়ে গফুর ‘এমন কাজ আর কখনো করব না কর্তা’_ এ কথা বলে কী করল?
উত্তর : দুই হাত দিয়ে নিজের দুই কান মলল।
২৯। ‘গফরা, ঘরে আছিস?’_প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে এ কথা বলে গফুরকে কে ডেকেছিল?
উত্তর : জমিদারের পিয়াদা।
৩০। জমিদারের পিয়াদা কিসের মতো গফুরের প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে গফুরকে ডেকেছিল?
উত্তর : যমদূতের মতো।
৩১। ‘কুলুপ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : খিল।
৩২। যেখানে মরা গবাদিপশু ফেলা হয় তাকে কী বলে?
উত্তর : ভাগাড়।
৩৩। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে কোন উপাধি দেওয়া হয়?
উত্তর : জগত্তারিণী।
৩৪। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হুগলি জেলার কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : দেবানন্দপুর গ্রামে।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s