সময় বাঁচান রান কমান্ড দিয়ে

উইন্ডোজের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, বিভিন্ন আপ্লিকেশনে শুধু রান কমান্ড দিয়ে খুব সহজেই যাওয়া যায়। এতে অনেক সময় বাঁচে। নিচে তেমনই কিছু রান কমান্ড দেওয়া হলো। প্রথমে উইন্ডোজ কি+R চেপে সরাসরি রান-এ যেতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট কমান্ড দিয়ে সরাসরি যেকোনো প্রোগ্রামে যাওয়া যাবে।
→ ক্যালকুলেটর খুলতে করতে calc লিখে এন্টার করুন।
→ যেকোনো ড্রাইভে যেতে c:, d:, e: এভাবে লিখে এন্টার করুন।
→বিভিন্ন চিহ্ন খুঁজে পেতে charmap লিখে এন্টার করুন।
→ পাওয়ার অপশনে যেতে powercfg.cpl লিখে এন্টার করুন।
→ রেজিস্ট্রি এডিটরে যেতে regedit লিখে এন্টার করুন।
→ রিমোট ডেস্কটপে যেতে mstsc লিখে এন্টার করুন।
→ কন্ট্রোল প্যানেলে ঢুকতে লিখে control এন্টার করুন।
→ ডিস্ক ক্লিনআপ চালু করতে cleanmgr লিখে এন্টার করুন।
→ মাউস প্রোপার্টিজে ঢুকতে main.cpl লিখে এন্টার করুন।
→ সাউন্ড অ্যান্ড অডিওতে ঢুকতে mmsys.cpl লিখে এন্টার করুন।
→ ডিভাইস ম্যানেজারে ঢুকতে devmgmt.msc লিখে এন্টার করুন।
→ ফন্টসে ঢুকতে fonts লিখে এন্টার করুন।
→উইন্ডোজ সিকিউরিটি সেন্টারে যেতে wscui.cpl লিখে এন্টার করুন।
→টাস্ক ম্যানেজার চালু করতে taskmgr লিখে এন্টার চাপুন।
→ সিস্টেম কনফিগারেশনে যেতে sysedit লিখে এন্টার করুন।
→ রিজিয়ন অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ এডিটরে যেতে intl.cpl লিখে এন্টার করুন।
→ স্টার্ট আপ মেন্যুতে যেতে msconfig লিখে এন্টার চাপুন।
→ হার্ডডিস্কের বিভিন্ন ড্রাইভ লুকানোসহ বিভিন্ন কাজে gpedit.msc লিখে এন্টার চাপুন।
→ ইন্টারনেট প্রোপার্টিজ দেখতে inetcpl.cpl লিখে এন্টার চাপুন।
→ অন স্ক্রিন কি-বোর্ড চালু করতে osk লিখে এন্টার চাপুন।

 

পিডিএফফাইলএকসঙ্গে

বেশ কটি পিডিএফ ফাইল একসঙ্গে জোড়া লাগাতে http://www.tiny.cc/mukti ঠিকানা থেকে পোর্টেবল অ্যাপ্লিকেশনটি নামিয়ে নিন। ফাইলটি Install করুন এবং PDF_Split_Merge.exe নামের ফাইলটি চালু করে PDF Merge ট্যাব ক্লিক করুন। এবার Add Files-এ ক্লিক করে সব কটি পিডিএফ ফাইল নির্বাচন করে Start Merge বাটনে ক্লিক করলেই সব ফাইল একত্রে হয়ে যাবে। ইনস্টল করা ছাড়াই এটি ইউএসবি ড্রাইভ থেকেও চালানো যাবে।

বিনা মুল্যে অনলাইন ব্যাকআপ

ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও, প্রিয় গান, মুভি, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট—অনেক কিছুই রয়েছে আপনার কম্পিউটারে। এসব কিছু রেখেছেন খুব যত্নে। কিন্তু আপনি কি জানেন, সামান্য একটু ভুলেই অথবা হার্ডডিস্ক ক্রাশ করলেই খুব সহজেই চিরতরে হারাতে পারেন এসব মূল্যবান তথ্য। এর সমাধান কী? হ্যাঁ, ডিভিডিতে কপি করে রাখতে পারেন, কিন্তু ডিভিডিতে এসব তথ্য রিডেবল বা পড়ার মতো থাকবে সামান্য কটা দিন, কিন্তু এরপর? সে জন্য এসব তথ্যের অনলাইন ব্যাকআপ রাখাটা জরুরি। আর আপনার সুবিধার জন্য এমন কিছু অনলাইন ব্যাকআপ সেবার ঠিকানা নিচে দেওয়া হলো, যেগুলো কিনা আপনার তথ্য সংরক্ষিত রাখে একেবারে নিরাপদে, গোপনীয়তার সঙ্গে।

ড্রপ বক্স (www.dropbox.com):

ড্রপ বক্স আপনাকে তথ্য রাখার জন্য ২.৫ গিগাবাইট জায়গা দেবে।

স্কাই ড্রাইভ (www.skydrive.com):

উইন্ডোজ লাইভ ও হটমেইল ব্যবহারকারীরা স্কাই ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারবেন। এটি মাইক্রোসফটের একটি সেবা। এখানে আপনি ২ গিগাবাইট জায়গা পাবেন তথ্য রাখার জন্য।

গুগল ড্রাইভ (http://drive.google.com):

গুগল ড্রাইভ আপনাকে দেবে ৫ গিগাবাইট জায়গা। কিন্তু এ জন্য আপনার একটি জি-মেইল অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এখানে রাখা ফাইলগুলো খুব সহজেই শেয়ার করতে পারবেন অন্যদের সঙ্গে।

সুগার সিঙ্ক (www.sugarsync.com):

এখানে আপনি ৫ গিগাবাইট জায়গা পাবেন।
এনআই মিডিয়া (www.mimedia.com): এনআই মিডিয়া আপনাকে দেবে সবচেয়ে বেশি জায়গা, পুরো ৭ গিগাবাইট।
প্রতিটি অনলাইন ব্যাকআপ সার্ভিসের ক্ষেত্রেই আপনি সেবাদাতার সেবার কথা যতজনের সঙ্গে শেয়ার করবেন, অনলাইনে ব্যাকআপের জন্য তত বেশি জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s