সুস্থজীবনের জন্য চাই সুস্থ হার্ট

হৃদরোগ : এক নম্বর ঘাতক ব্যাধি

পৃথিবীতে মোট মৃত্যুর ২৯ ভাগ হয়ে থাকে হৃদরোগের কারণে। এজন্য একে বিশ্বের এক নম্বর ঘাতক ব্যাধি বলা হয়ে থাকে। বিশ্বে প্রতিবছর এক কোটি ৭৫ লাখ লোক সরাসরি হৃদরোগের কারণে মারা যায়, যার মধ্যে ৮২ ভাগ মৃত্যু হয় নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর জনগণের। এই মৃত্যু খুবই হতাশাজনক। কারণ হৃদরোগ এবং স্ট্রোকসহ বিভিন্ন ক্রনিক রোগে যারা মারা যায়, তাদের অর্ধেকেরই বয়স হয় জীবনের সবচেয়ে সুন্দরতম সময় ১৫ থেকে ৬৯ বছর বয়সের মধ্যে। কিছু নিয়ম, যেমন—স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, পরিশ্রম করা এবং তামাকমুক্ত জীবন-যাপনের মাধ্যমে এই অকাল মৃত্যু অনেকাংশে এড়ানো সম্ভবপর হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশগুলোতে হৃদরোগ মহামারি আকারে দেখা দিতে পারে।
হৃদরোগের চিকিত্সায় প্রায় ৫ দশকের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আমাদের দেশে হৃদরোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অভাব সচেতনতার। হার্টের কোনো সমস্যা হলে প্রথমে আমরা আমলই দেই না। অনেকে মনে করি, হৃদরোগ কেবল ধনীদের রোগ। অথচ হৃদরোগের একটি প্রধান ধরন বাতজ্বর এবং বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ গরিবদেরই বেশি হয়। আর জন্মগত হৃদরোগ বা উচ্চরক্তচাপ ধনী এবং গরিব সবারই হতে পারে।

সুস্থ হার্টের জন্য তিনটি বিষয়

যেহেতু হৃদরোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিত্সা জটিল ও ব্যয়বহুল, এজন্য এ রোগ প্রতিরোধের দিকে জোর দিতে হবে। সব সময় মনে রাখতে হবে, জীবনের জন্য চাই সুস্থ হার্ট। মানবদেহের অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হার্ট। সুস্থ হার্ট মানেই সুস্থ মানুষ। সুতরাং হার্টকে সুস্থ রাখা একান্ত প্রয়োজন। সুস্থ হার্টের জন্য তিনটি বিষয় মেনে চলা জরুরি—

১. নিয়মিত ব্যায়াম

সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত ব্যায়াম অপরিহার্য। হার্টকে সবল রাখতে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। ব্যায়াম করার জন্য সুপার অ্যাথলেট হওয়ার প্রয়োজন নেই। যে কেউ ব্যায়াম করতে পারে। ব্যায়ামকে আনন্দের বিষয় মনে করলে এটা অভ্যাসে পরিণত হয়। এমন ব্যায়াম নির্বাচন করতে হবে যেটা করতে ভালো লাগে। গ্রুপ করেও ব্যায়াম করা যায়। যেমন—ফুটবল, বাস্কেট বল, ব্যাডমিন্টন প্রভৃতি খেলার মাধ্যমে আনন্দ যেমন পাওয়া যায়, তেমনি ব্যায়ামও হয়। যে কেউ যে কোনোভাবে অনুশীলন করতে পারে। এজন্য—
— নিয়মিত হাঁটুন। প্রথমে হাঁটার পরিমাণ ১০-১৫ মিনিট করুন এবং ধীরে ধীরে ৩০ মিনিটে নিয়ে আসুন। সকালে নাস্তার আগে এবং রাতের খাবারের পরে হাঁটা ভালো।
— পরিবারের সদস্যদের টেলিভিশন দেখার সময়কাল সীমিত করে ফেলা উচিত। প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি সময় টেলিভিশন দেখা উচিত নয়। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরের বাইরে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করুন। যেমন—সাইক্লিং, হাঁটা, দড়ি খেলা কিংবা বাগানে বা ছাদে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা করুন।
— সম্ভব হলে গাড়ির পরিবর্তে হেঁটে কিংবা সাইকেলে আপনার বাড়ি থেকে গন্তব্যে পৌঁছান। বাড়িতে লিফট থাকলে সেটা পরিহার করে সিঁড়ি ব্যবহার করুন।
— প্রাপ্তবয়স্কদের দিনে কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা এবং শিশুদের ৬০ মিনিট হাঁটা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সুতরাং পরিবারের ছোট-বড় সবার নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস করতে হবে।
— বাগানের কাজ, যেমন—ঘাস কাটা, ঝরাপাতা কুড়ানো, আবর্জনা পরিষ্কার করা, মাটি খনন করা, গাছের ডাল-পাতা ছাঁটাই করার মাধ্যমে কায়িক পরিশ্রম করা সম্ভব।
— কাছের কোনো দোকানে যেতে চাইলে রিকশা বা গাড়ির পরিবর্তে হাঁটুন অথবা সাইকেল ব্যবহার করুন।
— লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করুন কিংবা কাঙ্ক্ষিত ফ্লোরের দু-তিন ফ্লোর আগেই নেমে বাকিটুকু সিঁড়ি দিয়ে নামুন।
— বাস স্টপেজের কিছুদূর আগেই নামুন এবং সেখান থেকে হেঁটে গন্তব্যস্থলে পৌঁছান।
— নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ক্যালেন্ডারে চিহ্ন দিয়ে রাখুন, কবে কখন ব্যায়াম করবেন।
— যদি শিডিউল মিস হয়ে যায়, তবে অন্যদিন তা করে নিন। ব্যায়াম সপ্তাহে তিন-চার বার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট করার চেষ্টা করুন।
— বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম করুন। যেমন—এক দিন হাঁটুন, অন্যদিন সাঁতার কাটুন, এর পরদিন সাইকেল চালান।
— অনুশীলনের সময় এবং পরে পানি পান করুন।
— মেডিটেশন করা হার্টের জন্য খুব ভালো। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, মেডিটেশন হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। কারণ মেডিটেশনের মাধ্যমে যে মানসিক চাপ মুক্ত হওয়া যায়, তা শরীরের নিজস্ব পুনর্গঠন প্রণালীতে আর্টারির দেয়ালের চর্বি কমিয়ে দিতে সাহায্য করে।
— ৪০ বছরের অধিক বয়সে হঠাত্ করে নতুন কোনো ব্যায়াম শুরু করা উচিত নয়। আগের ব্যায়ামগুলো করাই ভালো।
— ব্যায়াম করার সময় কোনো রকম শারীরিক অসুস্থতা বোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে এবং অনতিবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
— নিয়মিত প্রার্থনা করুন, এতে মন ভালো থাকে।

২. সুষম খাদ্য গ্রহণ

বেঁচে থাকার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। সুস্থ হার্টের অধিকারী হওয়ার জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাস একান্ত জরুরি। আমাদের দেশে স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং দারিদ্র্য বিভিন্ন রোগের কারণ। যেমন : সুষম খাবার (Balanced diet) সম্পর্কে অনেকে জানেন না। গরিবরা সুষম খাবারের অভাবে অনেক সময় অপুষ্টিতে ভোগেন। অপরদিকে ধনীরা সুষম খাবারের কথা না জেনে ফাস্ট ফুডজাতীয় খাবার খেয়ে সঠিক পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হন। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফাস্ট ফুডজাতীয় খাবার অত্যধিক পছন্দের। এছাড়া তারা কায়িক পরিশ্রম করতে চান না। এই ফাস্ট ফুড খাওয়ার দরুন এবং কায়িক পরিশ্রমের অভাবে নারী, শিশু, উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীরা নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, যেমন—ওবেসিটি বা শারীরিক স্থূলতা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, কিডনির রোগ, ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব, দীর্ঘমেয়াদি পেটের পীড়ার মতো জটিল সমস্যায়। অথচ আমাদের চারদিকে নানা ধরনের শাকসবজি ছাড়াও দেশীয় ফল কলা, কামরাঙ্গা, আমলকী, আনারস, পেয়ারা, পেঁপে, বরই, আমড়া, জলপাই, কাঁঠাল, ডালিম, লেবু ইত্যাদি রয়েছে। এগুলো যেমন সস্তা তেমনি সহজলভ্য। এসব ফলমূল খাওয়ার মাধ্যমে সুস্থ থাকা সম্ভব। সুষম খাদ্য গ্রহণ জীবনকে সুন্দর করে তোলে। তাই—
— বাড়িতে সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, সাদাপাতাসহ সব ধরনের তামাকের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করুন।
— পরিবারের সবাই প্রতিদিন শাকসবজি ও ফলমূলসহ স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।
— প্রতিদিনের শুরুতে একটি করে ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন। দৈনিক শাকসবজি খাওয়া নিশ্চিত করুন।
— লবণ ও চিনি কম খান।

৩. স্বাস্থ্যসম্মত খাবার

প্রচুর পরিমাণে ফলমূল, শাকসবজি খান।
— অতিরিক্ত লবণ এবং চিনি গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। প্রতিদিন তিন গ্রামের বেশি লবণ গ্রহণ করা উচিত নয়।
— সকালে নাস্তা এবং দিনে তিন বার খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।
— কড়া এবং অতিরিক্ত তেলে ভাজার পরিবর্তে ভাপ, সিদ্ধ, ঝলসানো, বেকিং করে রান্না করতে হবে, অর্থাত্ রান্নার প্রণালীটি স্বাস্থ্যসম্মত হতে হবে।
— মিষ্টি এবং গুরুপাকজাতীয় খাবার কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে।
— প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত।
— খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের শস্যজাতীয় খাদ্যদ্রব্য রাখুন।
— কম চর্বিযুক্ত এবং চর্বিবিহীন খাবার বেছে নিন।
— উদ্ভিদজাতীয় তেল, যেমন—সানফ্লাওয়ার, কর্ন অয়েল খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করুন।
— মাছ, মুরগির মাংস, শিম এবং ডালজাতীয় যে কোনো খাবার ও চর্বিবিহীন মাংস গ্রহণ করুন।
— ডিমের কুসুম, চিংড়ি মাছ, গরু-খাসির মাংস এবং মগজ পরিহার করুন।
— খাবারের বিভিন্ন ক্ষতিকর কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
— মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা পরিহার এবং ধূমপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য পরিত্যাগ করুন।
— হার্টের কাজ হলো পরিশুদ্ধ রক্ত গোটা দেহে সরবরাহ করা। যদি কেউ ধূমপায়ী হয়, অ্যালকোহল পান করে, কিংবা নিষিদ্ধ ড্রাগ নেয়, তাহলে তার হার্টের অতিরিক্ত পরিশ্রম হয়। অধিক পরিশ্রম করলে আমরা যেমন পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ি, তেমনি হার্টও ক্লান্ত হয়ে যায়। এ অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে হার্ট রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। বিজ্ঞানীরা গবেষণায় প্রমাণ করেছেন, ধূমপান হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদরোগে মৃত্যুর হার বহু গুণে বাড়ে। সুতরাং ধূমপান করা মোটেই উচিত নয়। কেউ ধূমপায়ী হলে এখনই ছেড়ে দিন। গবেষণায় আরও প্রমাণিত হয়েছে, যেসব ধূমপায়ী ১০ বছর ধরে ধূমপান সম্পূণরূপে ত্যাগ করেছেন, তাদের হঠাত্ করে হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কমে গেছে। যে কোনো ধরনের নেশাজাতীয় ড্রাগ হার্টের মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই সব নেশাজাতীয় দ্রব্য ত্যাগ করা উচিত। এমনকি ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।
ওপরের নিয়মগুলো মেনে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে এবং সুস্থ জীবন-যাপনের মাধ্যমে হৃদরোগ প্রতিরোধ অনেকটাই সম্ভব।

হৃদরোগ এক দিনে হয় না

হৃদরোগ এক দিনে হুট করে হয় না। দীর্ঘদিন ধরে একটু একটু করে ধমনিতে কোলেস্টেরল জমে মূলত এ রোগের সূত্রপাত ঘটে। ধমনিতে কোলেস্টেরল জমা শুরু হতে পারে ৮-১০ বছর বয়স থেকেই। তারপর রোগ দেখা দেয় সাধারণত মধ্য বয়সে। যে বয়সে একজন ব্যক্তি পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য অবদান রাখতে পারেন, সে বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরিবারের বোঝায় পরিণত হওয়াটা দুঃখজনক। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধে মূল বিষয় হলো সচেতনতা। এজন্যে শৈশব থেকেই সুষম খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও সুস্থ জীবনধারা অনুসরণের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। কারণ আজকাল অল্পবয়সী ছেলেমেয়ে এমনকি শিশুদের মধ্যেও হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও উচ্চরক্তচাপের হার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এর প্রধান কারণ হলো শাকসবজি-ফলমূল না খাওয়া, ফাস্টফুড ও কোমল পানীয়ের প্রতি আসক্তি এবং খেলাধুলার সুযোগ কমে যাওয়া।

মাঝে মাঝে ফলোআপ জরুরি

একজন স্বাস্থ্যকর্মী বা ডাক্তারের কাছ থেকে আপনার রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং গ্লুকোজের মাত্রা, কোমর ও নিতম্বের আনুপাতিক পরিমাপ এবং বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) জানুন। সব ঝুঁকির মাত্রা জেনে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। স্বাভাবিক বডি মাস ইনডেক্স হওয়াটা খুব জরুরি। কারণ অধিক ওজন হলে শরীরে রক্ত সরবরাহ করতে হৃদপিণ্ডের অধিক কাজ করতে হয়। এর ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। অতিরিক্ত ওজনের বাচ্চাদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা ধরনের অসুবিধা হয়। যেমন ৬৫ বছর বয়সে পৌঁছানোর আগে তাদের চার-পাঁচ বার হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক হতে পারে। সুতরাং ওজন নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক ওজন রাখার চেষ্টা প্রতিটি মানুষের জন্য খুবই দরকার।

হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে মেডিটেশন

শরীরের ওপর মনের প্রভাব অপরিসীম। শরীরকে যেমন সুস্থ রাখতে হবে, তেমনি মনকেও রাখতে হবে সুস্থ। মনের প্রভাবে কোনো কোনো সময় বুকে ধড়ফড়, ব্যথা, পেটের অসুখ, এজমা ইত্যাদি অসুবিধা হয়। এছাড়া মানসিক চাপে বিভিন্ন রোগও বাড়তে পারে। মনোদৈহিক এ রোগকে সারাতে হলে মনের জোর বাড়াতে হবে। এজন্য দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিয়মিত নামাজ, প্রার্থনা ও মেডিটেশনের অনুশীলন করতে হবে। কেননা মানুষের মন অতীতের সুখ বা দুঃখ অথবা ভবিষ্যতের চিন্তা নিয়ে সব সময় অস্থির থাকে। এই অস্থির মনকে শান্তি ও কল্যাণের পথে আনতে হলে মেডিটেশনের বিকল্প নেই। আমেরিকার ডা. ডিন অরনিশের চিকিত্সা পদ্ধতি অনুসরণ করে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, ব্যায়াম ও মেডিটেশনের মাধ্যমে হাজারো হৃদরোগী অপারেশন ও এনজিওপ্লাস্টি ছাড়াই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s