এক কথায় প্রকাশ


জানা আছে যা -জ্ঞাত।
জানবার ইচ্ছা -জিজ্ঞাসা।
জানতে পারে না এমনভাবে -অজ্ঞাতে।
জয় সূচনা করে এমন -জয়সূচক।
জয়সূচক উৎসব -জয়োৎসব।
জয় করার ইচ্ছা -জিগীষা।
জানু পর্যন্ত লম্বিত বা দীর্ঘ -আজানুলম্বিত।
জীবিত থেকেও যে মৃত -জীবন্মৃত।
জন্ম হতে আরম্ভ করে -আজন্ম।
জনরব শুনে যে হাজির হয় -রবাহূত।


তুলার তৈরি -তুলোট।
তন্তু দ্বারা বয়ন করে যে -তন্তুবায়।
ত্বরায় গমন করে যে তুরগ -তুরঙ্গ।
তিনটি ফলা বা ফল-এর সমাহার -ত্রিফলা।
তীর ছোড়ে যে -তীরন্দাজ।


দুবেলা ভাতের বিনিময়ে কাজ করে যে -পেটেভাতে
দেখবার ইচ্ছা -দিদৃক্ষা।
দুবার যার জন্ম -দ্বিজ।
দেশকে ভালোবাসেন যিনি -দেশপ্রেমিক।
দিবসের শেষ ভাগ -অপরাহ্ন।
দিবসের মধ্য ভাগ -মধ্যাহ্ন।
বেশি ধন-সম্পত্তি আছে যার -ধনাঢ্য।


ধূলিধূসরিত হয়ে যে উৎসব সমন্বয় হয় -ধুলোট।

নদী মাতা যার -নদীমাতৃক।
নৌকা বেয়ে জীবিকা অর্জন করে যে -নাবিক।
নিজেকে যে পণ্ডিত মনে করে -পণ্ডিতম্মন্য।
নিতান্ত দগ্ধ হয় যখন -নিদাঘ।
নিজ জীবনের কথা -আত্মকথা/আত্মকাহিনি।
রাত্রিকালে চরে বেড়ায় যে -নিশাচর।
নাচে যে মেয়ে -নাচুনি।


পরে কি হবে ভাবে না যে -অদূরদর্শী।
পট আঁকে যে- পটুয়া।
প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন যিনি -লব্ধপ্রতিষ্ঠিত।
পান করার ইচ্ছা -পিপাসা।
পাওয়া যায় যা -পাওনা।
পা থেকে মাথা পর্যন্ত -আপাদমস্তক।
পরে কী ঘটবে ভেবে দেখে না যে -অপরিণামদর্শী।
পিতার ভ্রাতা -পিতৃব্য।
পঙিক্ততে বসার অযোগ্য -অপাঙেক্তয়।
পা ধোয়ার জল -পাদ্য।
পরিব্রাজকের ভিক্ষা -পরিব্রজ্য।
পরিমিত ব্যয় করেন যিনি -মিতব্যয়ী।
প্রিয় বাক্য বলে যে নারী -প্রিয়ংবদা।
প্রথমে মধুর হলেও পরিণামে তা নয় -আপাতমধুর।
প্রায় মৃত -মৃতকল্প।
প্রতিকার করার ইচ্ছা -প্রতিচিকীর্ষা।
পূর্বে বশ ছিল না এখন হয়েছে -বশীভূত।
প্রভাব বেশিক্ষণ থাকে না যার -ক্ষণপ্রভা।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s