ইসলাম শিক্ষা (সৃজনশীল) SSC

১। জেএসসি পরীক্ষা চলাকালীন দেখা গেল এক ছাত্র খাতার পাশে আঙ্গুলে পরিধান করার একটি রিং রেখে দিয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে উত্তর দেয়, এটা হচ্ছে একটা লাকী রিং। আমার কাছে এটা থাকার কারণে আজকের প্রশ্নটা সহজ হয়েছে।

ক. তাওহদি কাকে বলে?

খ. তাওহীদে বিশ্বাসী ব্যক্তি সৎকর্মের প্রতি অনুপ্রাণিত হন—ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকে ছাত্রের ধারণ কিসের শামিল এবং কেন ব্যাখ্যা কর।

ঘ. এ ধরনের ধারনার পরিণতি কুরআন ও হাদীসের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

 ২। নাঈমা এবং আয়িশা  কাজিন এবং বন্ধু। পড়েও একই স্কুলে। নাঈমা তথাকথিত আধুনিক স্টাইলে জীবন যাপন এবং পোষাক আশাক পরিধান করে। পক্ষান্তরে  আয়িশা কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী জীবন যাপন করে এবং অন্যদেরর এ ব্যাপারে দাওয়াত দেয়। এবং বলে, আমাদেরকে আমাদের  জীবন যাপন এবং কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। নাঈমা এসবের পরোয়া করেনা।

ক. ‘বারযাখ’ কি?

খ. আখিরাতে বিশ্বাস করা প্রয়োজন কেন ব্যাখ্যা কর।

গ. নাঈমার ‘কুছ পরোয়া নেহি’ এই মনোভাব ইসলামের কোন বিষয়ের প্রতি অবিশ্বাস  এর ফল ব্যাখ্যা কর।

ঘ. আয়িশার বিশ্বাস ও কর্মের ফল কি হতে পারে  কুরআন ও হাদীসের আলোকে বিশ্লেষণ  কর।

 ৩। শওকত ছোটকাল থেকে আমেরিকায় থাকে। লেখাপড়া করার পর চাকুরীতে ঢুকে। সারাদিন কাজ আর বিশ্রামের পর ধর্মকর্ম নিয়ে সে কখনও ভাবেনি। বাংলাদেশে আসার পর তার বড় ভাই আবদুর রহমানের কাছে ইসলাম এবং পবিত্র কোরআন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়। প্রসঙ্গত সে উলেস্নখ করে, কেন কুরআন পড়ে মুসলমানরা সন্ত্রাসী হচ্ছে। যে কারণে খ্রিস্টান পাদরী কুরআন বার্নিং ডে ঘোষণা করে ইসলাম এবং কুরআন সম্পর্কে ভীতি ছড়াচ্ছে? আবদুর রহমান তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে এবং একটি বাক্যে উত্তর দেয়। কুরআন সকল সমস্যার দেয়। আর এটা জানার জন্য তোমাকে কুরআন পড়তে হবে।

 

ক. পবিত্র কোরআন কোথায় সংরক্ষিত আছে?

খ. পবিত্র কুরআন আরবী ভাষায় নাযিল হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর ।

গ. শওকতের শ্রূত পবিত্র কোরআন সম্পর্কে দেয়া অপবদ সত্য কি? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. ‘ কুরআন সকল সমস্যার দেয়’——–উক্তিটির বিশ্লেষণ কর।

 ৪। কাশেম সাহেব ঢাকা যাচ্ছিলেন। পাশে সঙ্গী হিসেবে পান একজন বৌদ্ধ বামেত্মকে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে বামেত্ম কাশেম সাহেবকে জিজ্ঞাসা করেন, আচ্ছা বলুনতো আপনাদের  কোরআনে একই রকম অর্থ দু জায়গাতেই আছে। আবার সেই দুজায়গার অর্থ কিছুটা ভিন্ন । এরকম কেন? কাশেম সাহেব বলেন, আপনাকে পবিত্র কোরআন সঠিকভাবে বুঝতে হলে পবিত্র হাদীস শরীফ অধ্যয়ন করতে হবে। কারণ ‘‘হাদীস শরীফ হচ্ছে পবিত্র কোরআন শরীফের ব্যাখ্যা’’।

 

ক. প্রথম বিশুদ্ধ হাদীস কোনটি?

খ. সিহাহ  সিত্তাহকে ‘সিহাহ সিত্তাহ’ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

গ. হাদীসকে মুহাদ্দিসগণ এক প্রকার অহীর অমত্মভূক্ত করেছেন—-তোমার অভিসত ব্যাভ্যার কর।

ঘ. ‘‘হাদীস শরীফ হচ্ছে পবিত্র কোরআন শরীফের ব্যাখ্যা’’। এর বিশ্লেষণ  কর।

৫। মেয়েদের  স্কুল বলে আগে কোন নামাযের ব্যবস্থাই ছিলনা। এখন নামাযের সুন্দর ব্যবস্থা হওয়রার পর ছাত্রীরা নানা অজুহাতে নামায পড়া থেকে বিরত থাকে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছাত্রীদের টিপিন পিরিয়ডে ডেকে বললেন, আমি আজ তোমাদের  সঙ্গে নামায পড়ব। তিনি অজুখানায় অজু করলেন। তিনি নিজে ইমাম হয়ে ছাত্রীদের  সঙ্গে নামায পড়ার বললেন, সময় কি বেশি ক্ষয় হল? দেখ, নামায পড়ার পূর্বে আমাদের  হাতে পায়ে অনেক ময়লা ছিল। এখন কি আছে? আমার নিজের মনে হচ্ছে আমার মনটাও পবিত্র হয়ে গেছে। তোমাদের  অনুভূতি কেমন আমি জানিনা। জানিনা আলস্নাহ তালা কি এজন্যই ঘোষণা করেছেন,নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশস্নীল ও খারাপ কাজ হতে বিরত রাখে।

ক. ইবাদাতের মূল লক্ষ্য কি?

খ. হাক্কুল ইবাদ বলতে কি বুঝায়?

গ. নামাযের প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য টিচার কি কি উপায় অনুসরণ কিংবা অবলম্বন করতে পারেন?

ঘ. নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশস্নীল ও খারাপ কাজ হতে বিরত রাখে।–এর বিশ্লেষণ কর।

 ৬। শফিউল বড় হয়েছে গ্রামে। স্কুল এবং কলেজের লেখাপড়ার গন্ডি পেরিয়ে এখন সে মেডিকেল কলেজের ছাত্র। ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট হিসেবে তার খুব নাম ডাক। স্যারেরাও তাকে খুব পছন্দ করে। একবার তার বাবা গ্রীষ্মের সময় বাড়ির বেশকিছু আম নিয়ে ছেলেকে দেখতে আসে। হোস্টেলে ছেলে বাবাকে নিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পর এক ছেলে তাকে জিজ্ঞিাসা করে, উনি কে? ছেলে উত্তর দেয়, আমাদের  সার্ভেন্ট। অশিক্ষিত বাবার খটকা লাঘে, বাবা না বলে একরম ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করল কেন? ছেলেকে এব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসা না করে বাড়ির পথে রওয়ানা হন। কিছুদূর  আসার পর একজনকে জিজ্ঞাসা করেন, আচ্ছা ভাই, সার্ভেন্ট মানে কি? ‘দাস’। বাবা সেখানে বসে গিয়েছিল। আর কখনও ছেলেকে দেখতে আসেনি। জানা যায়, ছেলেটি পরবর্তীতে অর্ধ পাগল অবস্থায় ছিল।

 ক. কোন রকম অবাধ্যতার গুনাহ আল্লাহ তা’লা ক্ষমা করবেননা?

খ. কোন সময় পিতামাতার কথা অমান্য করা যাবে এবং কেন ব্যাখ্যা কর।

গ. পিতামাতার সন্তুষ্টি লাভ আমরা কি কি কাজ করতে পারি তার একটা ফিরিসিত্ম দাও।

ঘ. ‘‘পিতামাতার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টি আমাদের ইহকালীন এবং পরকালীন সফলতার নিয়ামক’’—–কোরআন ও হাদীসের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

 ৭। আরিফ এবং মামুন ব্যাংকে চাকুরী করে। পাশাপাশি বসে বলে ফুসরত পেলেই তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। তারা উভয়ে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে খুবই শংকিত। আরিফ বলে, নির্বাচনে আমি ভোট দেব এমন একজন ব্যক্তিকে যে কিনা আগামি সরকার গঠন করবে। মামুন বলে, দোসত্ম তোমার মত আমি যাকে তাকে ভোট দেবনা। ভোট আমার কাছে আমানত। যে ব্যক্তি দেশের দশের কাজ করবেএবং তাকওয়াবান হবে। তাকেই আমি ভোট দেব। কারণ আলস্নাহতালা ঘোষণা করেছেন, নিশ্চয় আলস্নাহ তালা খিয়ানতকারীদের পছন্দ করেননা।

ক. তাকওয়াপূর্ণ জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট কি?

খ. হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) কে আল-আমিন বলার কারণ কি ছিল?

গ. কোন পরিপ্রেক্ষিতে ভোট জনগণের কাছে আমানত—–এব্যাপারে  তোমার যুক্তি উপস্থাপন কর।

ঘ. নিশ্চয় আল্লাহ তালা খিয়ানতকারীদের পছন্দ করেননা। —এই আয়াতের বিশ্লেষণ কর।

 ৮। ফতেহপুরে  দুই ক্ষমতাবান ব্যক্তি ঐ এলাকার যত প্রকার টেন্ডারবাজি,চাঁদাবাজি,চোরাচালান ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। এলাকাটা বন্দর হওয়ার কারণে এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে ভোগামিত্মতে ভুগছে সাধারণ জনগণ। এমন একদিন নেই যেদিন ফিতনা ফ্যাসাদ হচ্ছেনা। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ একজোট হয়ে এ অবস্থার অবসান ঘটানোর জন্য একত্রিত হয় । তারা উভয় ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের দাওয়াত করেন। ঐ দাওয়াতে স্থানীয় কলেজের অধ্যক্ষ শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে এবং ফিতনা ফ্যাসাদ পরিত্যাগ করার আহবান জানিয়ে পবিত্র কালামে পাকের নিম্মোক্ত আয়াত পেশ করেন, ‘তোমরা পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা করবেনা, নিশ্চয়ই আলস্নাহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের  পছন্দ করেননা।’

ক. কোন প্রকার ব্যক্তি অন্যের ভাল দেখতে পারেনা?

খ. হিংসা  কিভাবে আমাদের  সংকর্মগুলো খেয়ে ফেলে বর্ণনা কর।

গ. সমাজ থেকে ফিতনা ফ্যাসাদ বিদূরিত করার জন্য এলাকাবাসী কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে  তার একটা দিক নির্দেশনা দাও।

ঘ. ‘তোমরা পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা করবেনা, নিশ্চয়ই আলস্নাহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের  পছন্দ করেননা।’—বিশ্লেষণ কর।

 ৯। ফাতিমা এবং জাহিদা বান্ধবী। তারা একই ক্লাসে পড়ে। ফাতিমা বলল, আমি একটা খুব ভাল বই পড়েছি। নবীগৃহ সংবাদ। হযরত খাদিজা (রাঃ) এর জীবনী। হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) এর চরিত্র মাধুর্যে তিনি যেমন মুগ্ধ হয়ে তাকে বিবাহ করেন , তেমনি হযরত খাদিজা (রাঃ) ছিলেন অসাধারণ গুণের অধিকারিণী । তাঁর আচার আচরণ এবং মহানুভবতা এত উচুমার্গের  ছিল যে, পনের বৎসর বড় হওয়া সত্ত্বেও হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) ও তাঁর জীবনী ছিল আদর্শ পরিবারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টামত্ম। যে কারণে লেখক এক জায়গায় মমত্মব্য করেছেন, হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) এর জীবনে  হযরত খাদিজা (রাঃ) না আসলে ইসলামের ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হত।

 ক. সিরিয়া থেকে ফিরে  হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) কোন যুদ্ধেও বিভীষিকা প্রত্যক্ষ করেন ?

খ. প্রাক ইসলামী যুগে আরবের অবস্থা কি রকম ছিল বর্ণনা কর।

গ. বর্তমান সময়ের মহিলাগণ হযরত খাদিজা (রাঃ)এর কোন গুণ অনুসরণ করে  তাদের জীবনকে সাফল্যমন্ডিত করতে পারে?

ঘ. হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) এর জীবনে  হযরত খাদিজা (রাঃ) না আসলে ইসলামের ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হত।—-এ উক্তির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s